Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts
Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts

নতুনরা যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং

নতুনরা যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং
বর্তমানে তরুণদের আরেকটি স্মার্ট পেশা হলো ফ্রিল্যান্সিং, দিন যত যায় ততই আমরা আধুনিকার ছোয়া পাচ্ছি এবং সুযোগ সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে জীবনকে আরো সহজতর করছি, এখন যেকেউ ঘরে বসে কোন পণ্য অর্ডার করলেই পন্য পৌছে যায়, আবার মোবাইলে মোবাইলে মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে টাকা চলে আসে, ঠিক তেমনি আপনার একটা ইন্টারনেট সংযুক্ত পিসি থাকলেই আপনি ঘরে বসেই নিজের ক্যারিয়ার নিজের ইচ্ছে মত গড়তে পারেন।  এখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন বন্ধুর মাঝে আড্ডায়, কোথাও বেড়াতে গেলেন অথার্ৎ যেকোথাও বসে আপনি কাজ করতে পারেন। মনে আছে ২০১১ সালে চিটাগাং এডমিশন টেস্ট দিতে যাচ্ছি, ঔই সময় একটা পুরাতন বায়ারের জরুরী একটা কাজ করে ঔইদিন করে দেওয়ার জন্য অনেক রিকুয়েস্ট করছিলো, গিফ্টও দিবে বলেছে, তাই ঔই সময় ট্রেনে বসেই ৮৫ ডলারে কাজটা শেষ করলাম ৩ ঘন্টায়, কাজ শেষে বায়ার খুশি হয়ে ১৫ ডলার বোনাসও দিলো।

আমরা যা শিখি:
“ফ্রিল্যান্সিং” নাম কাজে লাগিয়ে অনেকেই এটাকে বিভিন্ন অসৎ পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করেছেন যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ডোল্যান্সার, স্পিকএশিয়া, সাইটটক, ইউনিপেটুইউ, আবার দেখা যায় দেশের বিভিন্ন জেলায় আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং নাম কাজে লাগিয়ে কোন রেফারেল লিংক কিংবা পিটিসি সাইটগুলোতে ভিজিট/ক্লিক করতে বলেন, অনেকে আবার ঠিকই সত্যিকার ফ্রিল্যানিসিং মার্কেট প্লেস যেমন ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদিতে একটা একাউন্ট খুলে দিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করেন। অথচ তারা নিজেরাও এখানে কাজের অভিজ্ঞতা রাখেন না। কিন্তু বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী যুবদের প্ররোচিত করে।

এই শেখার ফলাফল:
এইভাবে দেশের অধিকাংশ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী যুবকদেরকে অদক্ষ এবং অনভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকেরা কাজ না শিখিয়ে দু-চারটা ধারণা দিয়ে কিংবা একটা একাউন্ট খুলে দু-চার ক্লাস নিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়, এভাবে ঐসকল প্রতিষ্ঠানের শেখানো প্রক্রিয়ায় এক দুই মাস কাজে এপলাই করে কিংবা পিটিসি সাইটে এক দুই মাস ক্লিক করে এক সময় তারা হতাশা এবং একগেয়েমি অনুভব করে, যার ফলে তারা ধীরে ধীরে ফ্রিল্যান্সিংএর প্রতি আস্থা হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়ে এবং পরবতীতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা শুনলে তাদের মাঝে একটা নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয় কিংবা যারা কাজ করেন নি, তারাও ডোল্যান্সার, স্পিকএশিয়া, সাইটটক, ইউনিপেটুইউ এগুলোর জন্য এটাকে এক ধরণের ধান্দা মনে করেন। এসবের জন্য অনেকে আবার ইচ্ছে থাকলেও পরবর্তীতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।আমার জানা এ রকম অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আমাদের অনেক স্টুডেন্ট এ ধরণের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এইসবের জন্য অনেকে ফ্রিল্যান্সিংর উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছেন কিংবা এটাকে মুল পেশা হিসেবে অথাব পার্টটাইম হিসেবে নিতে পারছেন না।

যা করণীয়:
আমাকে অনেকে প্রশ্ন করে, “ভাই একাউন্ট করতে কত টাকা লাগে?”, প্রশ্নটা যারা সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদের জন্য হাস্যকর কিন্তু যারা সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং এর ছোঁয়া পাননি তাদের জন্য উদ্বেগের। ভাই, সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং কোন টাকা লাগে না, একটা পয়সাও না, এখানে কোন প্রকার বিনিয়োগ করতে হবে না।ফ্রিল্যান্সিং এর প্রথম শর্ত হলো আপনাকে কোন একটা কাজ খুব ভালো জানতে হবে যেমন ওযেব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, এসইও, ইমেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। এগুলোর যেকোন একটি কাজ আপনি জানলে এবং বায়ারের সাথে যোগাযোগের মত ইংরেজী জানা থাকলে আপনি নিজেকে একটি নতুন জগতে আবিষ্কার করতে পারবেন। সকল হতাশা দুর হয়ে আপনি নিজেকে মুল্যায়ন করতে শিখবেন। তবে এতেও কাজ পাওয়ার কিছু কৌশন আছে।

যেভাবে নিজেকে সফল করতে পারেন:
প্রথমেই ফ্রিল্যান্সিং কি তা না জেনে জানুন ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয়। বাংলাদেশিদের বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার সাধারণত এসইও, মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজগুলো বেশি করে থাকে। এই কাজগুলোর চাহিদাও মার্কেটপ্লেসে ভালো। তবে বর্তমানে সিএমএস ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রচুর কাজ আছে। আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ আশার আগে তাই অন্তত ৬ মাস সময় নিন, এই সময়ের মধ্যে আপনি যেকোন একটি কাজ ভালোভাবে শিখুন। আপনি যে কাজটি শিখছেন উক্ত কাজের উপর  ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কি কি ধরণের কাজ পোস্ট করা হয়, সেগুলোর উপর নজর রাখুন। সাথে সাথে আপনি যে কাজ শিখেছেন উক্ত কাজের উপর বিভিন্ন সাইটে এক্সপার্টদের দেওয়া ডিজাইন কিংবা ব্লগ ফলো করুন। এক্ষেত্রে বাংলায়  টেকটিউন্সই  সেরা। এখানে প্রচুর রিসোর্স পাবেন। আর এখানে আপনাকে প্রতিযোগীতা করতে হয় পুরো বিশ্বের সকল দক্ষদের সাথে। তাই যেনতেন কিছু একটা জেনে শুরু করবেন? ফলে বিপরিত হবে। কারণ কোনভাবে একটা কাজ পেলেও কাজটি সময়মত এবং সঠিকভাবে করতে না পারলে এটা শুধু আপনার ব্যর্থতা নয়, ক্লায়েন্ট, কোন দেশের কন্ট্রাক্টর সেটাও মনে রাখে।

যেভাবে কাজ শিখবেন:
কাজ শেখার জন্য যদি আশেপাশে ভালো কোন প্রতিষ্ঠান না থাকে তবে সবচেয়ে ভালো হয়, নিজে নিজে শিখুন। এক্ষেত্রে টেকটিউন্স দক্ষ এবং অভিজ্ঞদের প্রচুর চেইন টিউন রয়েছে । আপনি যদি দেখে শিখতে চান, তবে টেকটিউন্স এ প্রচুর ভিডিও টিউন পাবেন। ঔই ভিডিওগুলো দেখতে পারেন। তবে নিজে নিজে শেখা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার তাছাড়া অনেক সময় ধারাবাহিক এবং পরিপুর্ণ কোর্স এর টিউটোরিয়াল থাকে না। সেক্ষেত্রে আপনি ঢাকায় হলে কিছু ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে শিখতে পারেন। যেমন: ক্রিয়েটিভ আইটি, প্রাইম আইটি ইত্যাদি। যাদের ইন্টারনেট কানেকশন স্লো উনারা চাইলে বাজারের ভিডিও টিউটোরিয়ালগুলো সংগ্রহ করতে পারেন, যেমন: ইনফোনেট, প্রযুক্তি টিম । এছাড়াও  উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও বর্তমানে প্রায় প্রতিটি জেলায় থ্রি জি পৌঁছে গেছে এর সাথে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অনলাইন প্রশিক্ষণ সংগঠন, যেমন: ইশিখন.কম / ইনফোনেট। আপনি চাইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও ঘরে বসেই শিখতে পারেন।
আশা করি নতুনরা দিক নির্দেশনা পাবেন এই টিউন থেকে। এছাড়াও অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের আর কোন নিদের্শনা থাকলে দয়া করে মন্তব্য করে জানাবেন।

বাংলাদেশ এর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর রেজাল্ট পাবলিকেশন কে দ্রতগতির করতে এখনি ডাউনলোড করে নিন BytesBD Smart School !!!

বাংলাদেশ এর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর রেজাল্ট পাবলিকেশন কে দ্রতগতির করতে এখনি ডাউনলোড করে নিন BytesBD Smart School !!!
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি Result Mangement Software, "BytesBD Smart School" । এটি ধারা আপনি আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর রেজাল্ট তৈরি করতে পারবেন মাত্র কয়েকটি ক্লিক এই । রেজাল্ট তৈরি, সংরক্ষণ, আপডেট, ডিলিট, রেজাল্ট প্রিন্ট, ট্রান্সকিপ্ট প্রিন্ট এ সব ই করতে পারবেন এই সফটওয়্যার দিয়ে ।
সফটওয়্যার টির কিছু স্ক্রীনশর্ট ঃ









তাহলে এখনি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন আর আপনার স্কুল এর রেজাল্ট  পাবলিশ করুন সবার আগে ।

বাংলাদেশের বাইক :: বাজাজ পালসার 135 LS ( The Road King)

বাংলাদেশের বাইক  :: বাজাজ পালসার 135 LS ( The Road King)
আমরা আজকে যে বাইকটি সম্পর্কে জানব সেটি হল আমাদের খুবই চেন একটা বাইব বাজাজ পালসার ১৩৫ এল এস । বাইকটি খুবই স্টাইলিশ এবং যারা নতুন রাইডার তাদের জন্য একদম পারফেক্ট । বাইকটির বাংলাদেশের বাজারে খুব বেশী সুবিধা করতে না পারলেও এই বাইকটির পারফরমেন্স ও লুকিং সবদিক থেকে অন্যান্য ১৩৫ সিসি বাইকের থেকে এগিয়ে আছে । তো চলুন আজ আমরা বাজাজ পালসার ১৩৫ বাইকটির সম্পর্কে জেনে নিই ।

 ওভারভিউ :

বাইকটির লুকিং এর সাথে পালসার ১৫০ এর কোন মিল আছে বলে আমার মনে হয় না । এটি একটি স্বতন্ত্র স্টাইল ও লুক নিয়েই এসেছে । এর স্টাইলিশ হেডলাইড , বসার সিট , পেছনের টেইল লাইট সবকিছুই যেন একটু অন্য বাইকের সাথে ভিন্ন ও এগুলো চরম স্টাইলিশ লেগেছে আমার কছে । এর ড্যাসবোর্ডে একটি ডিজিটাল স্পীডোমিটার ও একটা এনালগ ট্যাকোমিটার রয়েছে । এছাড়া রয়েছে ডিজিটাল ফুয়েল ইনডিকেটার । বাইকটি বর্তমাতে ককটেল ওয়াইন রেড , মিডনাইট ব্লাক ও প্লাজমা ব্লু কালারে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে । এর ফুয়েল ট্যাঙ্কের সাথে একটা ছোট পাখনা এর স্টাইলটাকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে । বসার সিটের ক্ষেত্রে এটার ড্রাইভিং সিটের থেকে পেছনের সিটটা বেশ উচু যেটা বাজাজের অন্য কোন বাইকে দেখা যায় না ।

SpeedometerDigital
TachometerYes
Tachometer TypeAnalogue
Shift LightNo
Electric StartYes
TripmeterYes
No Of Tripmeters2
Tripmeter TypeDigital
Low Fuel IndicatorYes
Low Oil IndicatorNo
Low Battery IndicatorYe
Fuel GaugeYes
Digital Fuel GaugeYes
Pillion SeatYes
Pillion FootrestYes
Pillion BackrestNo
Pillion GrabrailYes
Stand AlarmYes
Stepped SeatYes
Antilock Braking SystemNo
KillswitchYes
ClockNo

ইন্জিন :

আসলে ১৩৫ সিসির বাইক হলেও এটার ইন্জিনকে ১৩৫ এর ইন্জিন বলা যায় না । কারণ এটার ইন্জিন পাওয়ার বাংলাদেশের অনেক ১৫০ সিসির বাইকের থেকেও অনেক বেশী । বাইকটিতে রয়েছে একটি ১৩৫ সিসির এয়ার কুলড ইন্জিন যেটা ১৩ Bhp পাওয়ারর ও 11Nm টর্ক উৎপন্ন করতে পারে । এর একটি ৫ স্পীড গিয়ারবক্স রয়েছে । এটি একটি সিঙ্গেল সিলিন্ডারের ইন্জিন এবং সিলিন্ডারে ৪ টি ভালব যুক্ত রয়েছে । বাইকটির হর্স পাওয়ার বাংলাদেশের যেকোন ১৩৫ বা ১৫০ কে চ্যালেন্জ করার মতই । এর ইগনিশন সিস্টেম হিসেবে রয়েছে ডিজিটাল টুইন স্পার্ক ইগনিশন ।  মোট কথা হল ,  একটি ১৩৫ বাইকের কাছে এর থেকে বেশী কোন কিছু কারোরই আশা করা উচিৎ নয় । এটা ৬০ কিমি. স্পীড তুলতে টাইম নেয় মাত্র ৫ সেকেন্ড এবং বাইকটির টপ স্পীড ১১৫ কি.মি./ঘন্টা ।

Engine
Displacement (cc)135
Cylinders1
Max Power13 bhp @ 9000 rpm
Maximum Torque11 Nm @ 7500 rpm
Bore (mm)54
Stroke (mm)59
Valves Per Cylinder4
Fuel Delivery SystemFuel Injection
Fuel TypePetrol
IgnitionDigital Twin Spark Ignition
Spark Plugs (Per Cylinder)2
Cooling SystemAir Cooled
Transmission
Gearbox TypeManual
No Of Gears5
Transmission TypeShaft Drive
ClutchWet Multiplate

ব্রেকিং ও চাকা :

বাইকটিতে ১৩ ইন্চি সাইজের চাকা রযেছে । এর সামনের টায়ারের সাইজ 2.75 x 17 এবং পেছনের টায়ারের সাইজ হল 100 / 90 x 17 । এর টায়ারগুলো টিউবলেস । পেছনের চাকার শেপটা আমার কাছে একটু রেসিং স্টাইলের মনে হয়েছে । চাকাটি ১৩৫ সিসি বাইকের তুলনায় একটু মোটা ও গোলগাল । কিছূটা ইয়ামাহা R15 স্টাইলের । আমার মনে হয় না ড্রিফটিংএর সময় এটা আপনার সাথে কোন সময়ই বেইমানী করবে । বাইকটির সামনে ২৪০ মিমি . সাইজের একটা ডিন্ক ব্রেক ও পেছনের চাকাতে ১৩০ সাইজের একটি ড্রাম ব্রেক রয়েছে । ফলে বাইকটির কন্ট্রোলও দারুন । বাজাজের বাইক ডিসকভার ১৩৫ এর ম্যাক্সিমাম এডিশনেই কোন ডিস্ক ব্রেক নেই । এর ব্রেকিং সিস্টেমের মাধ্যমে আপনি ৬০ কিমি/ঘন্টা স্পীড থেকে মাত্র ১৯ মিটারের মধ্যেই বাইকটি থামাতে পারবেন যেটা বাইকটির জন্য যথেষ্ট ভাল পারফরমেন্স বলে আমার মনে হয় ।


Braking
Brake TypeDisc
Front DiscYes
Front Disc/Drum Size (mm)240
Rear DiscNo
Rear Disc/Drum Size (mm)130
Calliper Type--
Wheels & Tyres
Wheel Size (inches)17
Front Tyre2.75 x 17
Rear Tyre100 / 90 x 17
Tubeless TyresNo
Radial TyresNo
Alloy WheelsYes

ডাইমেনশন ওয়েট ও ইলেকট্রিক্যালস :

বাইকটির ওভারঅল ওজন হল ১২২ কিলোগ্রাম । এর দৈর্ঘ ১৯৯৫ মিমি এবং উচ্চতা ১২১৫ মিমি . । বাইকটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫মিমি. যেটা অনেক ১৫০ কেও হার মানায় । বাইকটিতে বসে চালানোর সময় আপনি বেশ কমফোর্ট ফিল করবেন এবং অনেক স্পীড তোলার পরও আপনার মনে  হবে বাইকটি আপনার ফুল কন্ট্রোলে রয়েছে  । বাইকটির বসার সিটের হাইট মাটি থেকে ৭৬৫ মিমি . যেটা খুবই স্বাভাবিক । এর পেছনের সিটটা পেছনের চাকা থেকে বেশ উচু যেটা এটাকে আরও স্টাইলিশ হিসেবে সো করে ।

বাইকটির ইলেকট্রনিক্স কিট হিসেবে রয়েছে ১২ ভোল্টের একটি ব্যাটারী । এর সামনের দিকে ৩৫ ওয়াটের একটি হেডলাইট রয়েছে যেটা অনেকটা ইয়ামাহা এফ জেড এর সাথে মেলানো যায় যদিও স্টাইল ও ডিচাইনে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে । এর টেইল লাইট হিসেবে রয়েছে এলইডি লাইট এবং এর স্টাইলটা সম্পূর্ন ইউনিক । এটা দেখলেই আপনি বাইকটির প্রেম পড়ে যাবেন ।

Dimensions & Weight
Kerb Weight (Kg)122
Overall Length (mm)1995
Overall Width (mm)765
Overall Height (mm)1215
Wheelbase (mm)1325
Ground Clearance (mm)165
Seat Height (mm)800
Electricals
Electric System12V Full DC
Battery12 V (Low Maintenance Battery)
Headlight TypePilot Lamps Type
Headlight Bulb Type35/35 W with 2 pilot lamps
Brake/Tail LightLED Light
Turn SignalYes
Pass LightYes



জ্বালানী ও অন্যান্য :

পালসার ১৩৫ এলএস এর ফুয়েল ট্যাঙ্ক এ জ্বালানী ধারণ ক্ষমতা ৮ লিটার এবং রিজার্ভ এ জ্বালানী ধরে ২.৫ লিটার । এটি এক লিটার পেট্রোলে ৬৫ কিলোমিটার যায় যেটা অনেকটা অবিশ্বাস্য । কারণ এমন পারফরমেন্সের যেকোন বাইক ১ লিটার তেলে সবোর্চ্চ ৫০ কিলোমিটার যেতে পারে । সেখানে এটি প্রায় অন্যান্য ১০০ বা ১২৫ সিসির মত আপনাকে জ্বালানী সাশ্রয় করছে । কিন্তু এর জন্য আপনি বাইকটির পারফরমেন্সের কোন ঘাটতি পাচ্ছেন না । এটিতে বক্স টাইপের ডায়মন্ড চ্যাসিস রয়েছে এবং ফ্রন্ট সাসপেনশন হিসেবে রয়েছে এন্টি ফ্রিকশন ব্রাশের সাথে টেলিস্কোপিক সাসনেশন এবং পেছনে রয়েছে 5 way adjustable, Nitrox shock absorber । মোট কথা জ্বালানীর দিক থেকে ও সাসপেনশনের দিক থেকে চিন্তা করলেও বাইকটি অনেক ভাল বাইককে হার মানিয়ে দিতে পারে । আমি চ্যালেন্জ করে বলতে পারি , এই বাইকটি নিয়ে আপনি বাংলাদেশের যেকোন ১৩৫ বা অনেক ১৫০ বাইকের সাথে রেসিংএর জয়ী হবেন ।
Fuel Efficiency & Range
Fuel Tank Capacity (Litres)8
Reserve Fuel Capacity (Litres)2.5
FuelEfficiency Overall (Kmpl)64
Fuel Efficiency Range (Km)510
Chassis & Suspension
Chassis TypeBox Type Diamond Type
Front SuspensionTelescopic, with anti-friction bush
Rear Suspension5 way adjustable, Nitrox shock absorber
সবমিলিয়ে বাইকটি বাংলাদেশের মধ্যে সেরা ১৩৫ সিসির বাইক আমরা বলতেই পারি । বাইকটির হ্যান্ডস অন রিভিউ বা ওনারশীপ রিভিউ আপনারা দেখে আসতে পারেন Bikebd.com সাইট থেকে । তাহলে মনে হয় বাইকটির সম্পর্কে বুঝতে আপনাদের সুবিধা হবে বা আপনাদের মনে কনফিউশন দূর হবে ।

নিজে নিজেই ঠিক করুন মোবাইল অথবা ল্যাপটপ এর স্ক্রীন এর স্ক্রেচ বা আঁচরের দাগ

নিজে নিজেই ঠিক করুন মোবাইল অথবা ল্যাপটপ এর স্ক্রীন এর স্ক্রেচ বা আঁচরের দাগ
প্রথমে সেটটি বন্ধ করে নিন। ডিভাইসের ভেতরে যাতে তরল পদার্থ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য হেডফোন, চার্জার ও অন্যান্য পোর্টগুলো সিল করে নিন।
দাগ
টুথপেস্ট
একটি কটনবাড বা এক টুকরো নরম সুতি কাপড়ে সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে অাঁচড় পড়া স্থানে আলতোভাবে ঘষে দাগ দূর করা সম্ভব। দাগ উঠে গেলে আরেকটি ভেজা কাপড় দিয়ে লেগে থাকা টুথপেস্ট মুছে ফেলুন। এ কাজে জেল জাতীয় টুথপেস্ট ব্যবহার করা যাবে না।
গাড়ির অাঁচড়ের দাগ দূর করার ক্রিম
টার্টল ওয়্যাক্স, ৩এম স্ক্র্যাচ ও সোয়ার্ল রিমুভার ব্যবহার করা যাবে। এক টুকরা নরম কাপড়ে ক্রিম নিয়ে অাঁচড়ের ওপর প্রয়োগ করতে হবে।
শিরিশ কাগজমোবাইলের ট্যাপ খাওয়া অংশগুলোকে মসৃণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে শিরিশ কাগজ। তবে যতটা সম্ভব মসৃণ শিরিশ কাগজ ব্যবহার করতে হবে। এটি খুব সাবধানে ব্যবহার করতে হবে, নয়তো আরও অাঁচড়ের দাগ পড়তে পারে।
বেকিং সোডাএকটি পাত্রে দুই ভাগ বেকিং সোডা ও এক ভাগ পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে অাঁচড়ের ওপর প্রয়োগ করতে হবে। পরে আরেকটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মিশ্রণটি মুছে ফেলতে হবে।
বেবি পাউডারবেকিং সোডার বদলে বেবি পাউডার ব্যবহার করেও স্ক্র্যাচ রিমুভার তৈরি করা যাবে। প্রয়োগ করতে হবে একই পদ্ধতিতে।
ভেজিটেবল অয়েলছোট স্ক্র্যাচের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে ভেজিটেবল অয়েল। অাঁচড়ের ওপর এক ফোটা অয়েল নিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
ডিম ও পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়ামের মিশ্রণ
সসপ্যানে একটি ডিম ও এক চা চামচ পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে ১৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় গরম করতে হবে। এরপর এক টুকরা পলেস্টার বা নাইলনের তৈরি কাপড়কে এ মিশ্রণে ভিজিয়ে ওভেনে ৩০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় শুকাতে হবে। ওভেনে শুকানোর ক্ষেত্রে কাপড়টিকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে নিতে হবে। কাপড়টি শুকিয়ে গেলে ঠা-া পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড। উপরোক্ত ধাপগুলো তিনবার অনুসরণের পর কাপড়টিকে ৪৮ ঘন্টা বাতাসে রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। এবার কাপড়টি দাগ তোলার কাজে ব্যবহার করা যাবে।
ব্রাসো, সিলভো ও অন্যান্য পলিশ
পলিশ ভেজানো তোয়ালে দিয়ে অাঁচড়যুক্ত স্থানটি মুছে নেয়া যেতে পারে। তবে পর্দায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ পলিশ পর্দার কোটিং নষ্ট করে দিতে পারে।

ডাউনলোড করে নিন ভিডিও টিউটোরিয়াল মেক করা ও ভিডিও ইডিটিং করার মাত্র ৭ এমবির একটি সফটওয়্যার

সালাম সবাইকে, আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার রহমতে সবাই ভাল আছেন। আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো দারুণ ১ টি সফটওয়্যার ফুল ভার্সন ও পেইড ভার্সন যা আপনাদের কজে লাগতে পারে। তো দেরি না করে ডাউনলোড করে ফেলুন।

FastStone Capture 8 ফুল ভার্সনঃ


FastStone Capture হল খুবেই পপুলার সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি খুব সহজে বিভিন্ন কাজের জন্য স্ক্রিন ক্যাপচার নিতে পারবেন। ক্যাপচার করা ছবিতে বিভিন্ন ইফেক্ট দিলে তা আরো সুন্দর করতে পারবেন। এ ছাড়াও এই সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্রিন রেকডিংও করা যায় যা আপনি ভিডিও Record করে টিউটোরিয়াল বানাতে পারবেন খুব সহজে। সঙ্গে থাকছে এডিট করার ও সুবিধা যা আপনার ভিডিও কে দেবে সুন্দর লুক তাই আর দেরি না করে নিচের লিঙ্ক থেকে এখনি ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড করে নিন

FastStone Capture এর কিছু সুবিধা হলঃ

  • যে কোন উইন্ডো ক্যাপচার করা য়ায় বিভিন্ন ফরমেট এ।
  • নির্দিষ্ট জায়গা ক্যাপচার করা য়ায়।
  • স্ক্রিন রেকর্ড করা যায়।
  • যে কোন ওয়েবপেজ কে ছবি হিসেবে সংরক্ষন করা য়ায়।
  • ছবিতে বিভিন্ন ইফেক্ট দেয়া যায়।
  • খুব সহজে এটি ব্যবহার করা যায়।
এবার ডাউনলোড করে নিন FastStone Capture 8 পোর্টেবল ভার্সন

FastStone Capture 8 ফুল ভার্সনঃ


এবার ডাউনলোড করে নিন এই সফটওয়্যার এর পোর্টেবল ভার্সন যা আপনাকে কন প্রকার ইন্সটল ছাড়াই দেবে ব্যাবহারের সুবিধা ত দেরি না করে এখনেই ডাউনলোড করে ফেলুন।

বিজয়ের মাসে দেশীয় এন্টিভাইরাস ফ্রী ডাউনলোড...............

বিজয়ের মাসে দেশীয় এন্টিভাইরাস ফ্রী ডাউনলোড...............
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আজ এই বিজয়ের মাসে আমি আপনাদের সবাইকে একটা উপহার দিব।আমাদের সকলের পিসিতে আমরা বিদেশী সফটওয়্যার ব্যাবহার করে থাকি।কিন্তু নিজের দেশীয় এন্টিভাইরাস আমরা কয়জন ব্যাবহার করেছি বা কিভাবেই বা করব।কারণ আমাদের দেশীয় কোন এন্টিভাইরাস ছিলনা।কিন্তু আজ থেকে আমরা ব্যাবহার করব নিজের দেশীয় এন্টিভাইরাস।মুলত টিম ইরর নামের একটি সফটওয়্যার নির্মাতা গ্রুপ এই সফটওয়্যার বানিয়েছে।বিডি-গার্ডের ২টি ভার্সন আছে একটি অগ্নি আর একটি ডিজিটাল।তবে আমি আপনাদের অগ্নী ভার্সন ব্যাবহার করার জন্যই বলছি।

প্রথম Winrar না থাকলে ডাউনলোড করুন এখানে
এবার এন্টিভাইরাস ডাউনলোড করুন তার সাথে ইন্সট্রাকশন বা টিউটোরিয়ালো ডাউনলোড করুন
আপনি যদি উইন্ডোস এক্সপি ব্যাবহার করেন তবে ডাইরেক্ট ইন্সটল করুন
আর অন্য 7/8/8.1 ব্যাবহার করলে সেটাপের সময় Run As Administrator করে রান করুন
যেকোন সমস্যায় কমেন্ট করুন
আর সফটওয়্যার এর বিষয়ে মন্তব্য করতে ওনাদের ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে যোগাযোগ করুন
Designed by HelpZoon Design

Powered by Helpzoon