Showing posts with label অটোক্যাড. Show all posts
Showing posts with label অটোক্যাড. Show all posts

একই সাথে হাজার হাজার ছবি রিসাইজ করুন, ব্রাইটনেস বাড়ান-কমান কোন রকম ফটোশপ জ্ঞান ছাড়া।

একই সাথে হাজার হাজার ছবি রিসাইজ করুন, ব্রাইটনেস বাড়ান-কমান কোন রকম ফটোশপ জ্ঞান ছাড়া।
যেটা দিয়ে খুব সহজে ছবি রিসাইজ সহ আরও কিছু ছোট খাটো ফটোশপের বিকল্প কাজ করা যাবে। আমি নিজেও অনেক সময় টিউন করার সময় ছবি রিসাইজ করি না, যেটা অনেক সময় টিউনকে দেখতে খারাপ করে দেয়। টিউন দেখতে সুন্দর এবং গোছালো হলে টিউডাররা পড়েও অনেক মজা পায়।

অনেক খুজতে খুজতে আজকে মনে হলো দারুণ একটা সফটওয়্যার পেলাম। আমার নিজের খুব পছন্দ হলো, খুব সুন্দরভাবে রিসাইজ সহ, সাইজ কমানো, কম্প্রেস করা, কালার কন্ট্রাস্ট এ্যাডজাস্ট করা যায়। আপনারা হয়তো বলবেন এটা কীভাবে ফটোশপের ব্যতিক্রম হলো। আসলে ছবি সম্পাদনার জন্য ফটোশপের বিকল্প খুঁজে বের করা কঠিন। তবে যারা নতুন টিউনার কিন্তু ভালো ভাবে ছবি এডিট করতে পারছে না, তাদের অনেক কাজের হবে এই ছোট্ট সফটওয়্যারটি।
খুব ভালো ভাবে ছবি রিসাইজ করতে পারবে তারা। তাছাড়া আরও কিছু সফটওয়্যার আছে যা ছবি রিসাইজ করার কাজে লাগে, কিন্তু এক সঙ্গে অনেক গুলা ছবি এডিট করার অপশন নাই সেখানে। কিন্তু এই সফটওয়্যার টি সেই আশাও পূর্ণ করবে। তাই বসে গেলাম টিপস মূলক এই টিউনটি করার জন্য। আশা করি সফল হবো।

সফটওয়ারটির বৈশিষ্ট্যঃ

  • আপনি ইচ্ছামতো ছবি রিসাইজ করতে পারবেন এক ক্লিকে।
  • JPEG, GIF, PNG তে ছবি রুপান্তর সেকেন্ডের ব্যাপার।
  • ছবির আউটপুট দেখতে পাবেন সাথে সাথে ডুয়াল মুডের মাধ্যমে।
  • এক সঙ্গে হাজার হাজার ছবি রিসাইজ, একই ফরমেটে করতে পারবেন।
  • এরকম আরও অনেক দারুণ দারুণ ফিচার আছে সফটওয়্যারটিতে।

কীভাবে করবেনঃ

এতোগুলো কঠিন কাজ সহজে করে দিবে রিয়োট – RIOT (Radical Image Optimization Tool). আরও বড় ব্যাপার পেইড সফটওয়্যারের মতো ভয়ে ভয়ে ব্যবহার করার ব্যাপার নাই। অর্থাৎ সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ ফ্রি-ওয়্যার।
অথবা এখান থেকে
অন্যান্য সকল ভার্সন পাবেন এই লিঙ্কে

কীভাবে সম্পাদনা করবেনঃ

  • প্রথমে আপনি সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তখন নিচের ছবির মতো উইন্ডো ওপেন হবে।

  • সেখান থেকে Open এ ক্লিক করুন। তারপর আপনি যে ছবি রিসাইজ করতে চান সেটাতে ক্লিক করুন। সেটা ওপেন হলে নিচের ছবির মতো ওপেন হবে।
১ এ আপনার সিলেক্ট ছবি, আর ২ এ আউটপুট। নিচের তীর চিহ্নিত অপশন থেকে আপনি JPEG, GIF, PNG ইত্যাদি ফরমেট চুজ করতে পারবেন, তারপর আপনি কোয়ালিটি কেমন চান তাও ঠিক করতে পারবেন।

  • তারপর তীর চিহ্নিত অপশন থেকে আপনি ছবির সাইজ ঠিক করে দিতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসের মিনিমাম আপলোড ছবি সাইজ ৩০০/৩০০ করে দিতে পারবেন। তবে আরও একটু বেশি সাইজের ছবি দিলে ভালো দেখাবে। যেমন, এখানে যে ছবি দেখছেন এটির সাইজ ৭৫০/৫০০। এভাবে আপনার পছন্দ মতো ছবি সেট করুন। Aspect Ratio টিক না উঠালে অটোমেটিক রিসাইজ নিবে। সেহেতু এটার টিক উঠিয়ে দিন।

  • তারপর অপশন থেকেও আপনি আপনার পছন্দ মতো সাইজ বা সেটিং অপ্টিমাইজ করে রাখতে পারেন, যা সবসময় ঐ সাইজে আউটপুট দিবে।

  • নিচের ছবি দেখে আরও স্পষ্ট হয়ে নিন।

  • এবার আমরা দেখবো কীভাবে একের অধিক ছবি এক সঙ্গে রিসাইজ করবো। প্রথমে নিচের ছবির মতো Batch অপশনে প্রবেশ করুন।

  • এবার নতুন উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে Add images থেকে আপনি আপনি যতোগুলা একই এইসাইজ করতে চান তা সিলেক্ট করুন। নিচের ছবি দেখুন। আরও যে অপশন টার কাজ নিচে বর্ণনা করা হয়েছে।

  • নিচের ছবির মতো Ctrl চেপে আপনার সকল সিলেক্ট করুন। তারপর ওপেন ক্লিক করুন।

  • নিচের ছবির মতো ছবিগুলা ওপেন হবে। তারপর বাম পাশের অপশন থেকে আপনার সব ছবিগুলা যে সাইজে করতে চান তা ঠিক করে দিন। তারপর আউটপুট ছবি গুলা যেখানে সেভ করতে চান তা ঠিক করে দিন। তারপর Start এ ক্লিক করুন।

  • ব্যস আপনার ছবিগুলা নিচের ছবির মতো নির্দিষ্ট লোকেশনে আপনার পছন্দ মতো সাইজে সেভ হয়ে যাবে। নিচের ছবির মতো -ok চলে আসবে।

এবার ছবিগুলা আপনি টেকটিউনসে টিউনের সময় এক এক ব্যবহার করুন। Small Size দেখাবে না, আবার সব ছবি সুন্দরভাবে গোছানো আকারে থাকবে। আপনার টিউন অন্যদের থেকে অনেক সুন্দর এবং গোছানো হবে। টিউডাররা আপনার টিউন পরে মজাও পাবে।
আশা করি সমস্যা হবে না।

অটোক্যাড শেখার প্রয়োজনীয়তা !

অটোক্যাড শেখার প্রয়োজনীয়তা !
অটোক্যাড একটি ইন্জিনিয়ারিং ডিজাইন প্রোগ্রামের নাম, অটোক্যাড সফটওয়্যারটি ব্যবহারকারীর অত্যন্ত বন্ধুত্বসুলব  সফটওয়্যার এবং এটি সবার জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং  ল্যাঙ্গুয়েজ C++ দিয়ে তৈরি।   যার সহায়তায় ডিজাইনার ও ইন্জিনীয়াররা সহজেই দ্বিমাত্রিক(2D) এবং ত্রিমাত্রিক (3D) ডিজাইন তৈরি করতে পারে এবং যে কোনো যন্ত্রের স্থানান্তরযোগ্য পার্টস ডিজাইন করতে পারে। বর্তমানে স্থাপত্য প্রকৌশল শিল্প ও ইন্জিনিয়ারিং  কাজ এর ক্ষেত্রে অটোক্যড  গুরুত্বপূর্ন স্থান করে নিয়েছে।
সারা বিশ্বে বর্তমানে বড় বড় স্থাপনার ডিজাইন প্রথমে কম্পিউটারের অটোক্যাডের মাধ্যমে করা হয় এবং ঐই অনুযায়ী স্থাপত্য নির্মান করা হয়, ডিজাইন ও ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে কোনো ছোট-বড় নিখুঁত বিষয় অটোক্যাড এর মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়া হয় ফলে সময়, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় হয় বলেই সারাবিশ্বে বিশেষকরে মধ্যপ্রাচ্যে এর চাহিদা বেড়েই চলছে।
যারা ইন্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার শুরু করছেন বা করবেন অথবা আগে থেকেই এই ক্ষেত্রে আছেন তাদের ইন্জিনিয়ার হিসেবে নিজস্ব কাজের ক্ষেএে অবস্থান দৃড় করার জন্য অটোক্যাড এর পরিপূর্ন ব্যাবহার জানা অবশ্যই জরুরী ।
শুধুমাত্র ইন্জিনিয়ারিং জানা থাকলেই চলবে না এই টেকনোলজির যুগে প্রয়োজন অটোক্যাড এর ওপর পরিপূর্ন দখল নয়তো প্রতিযোগীতার বাজারে ইন্জিনিয়ার হিসেবে আপনি পিছিয়ে পড়বেন।  অধিকাংশ বাংলাদেশী ইন্জিনিয়ার তাদের কাজের জন্য অটোক্যাড ব্যাবহার করে।
নিন্মে অটোক্যাড ব্যাবহারের সুবিধাগুলো দেওয়া হল :
ডিজাইন করা:
ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে কোনো প্রকার ডিজাইন করা বা প্রটোটাইপিং একটি সময়সাপেক্ষ ও কঠিন বিষয়। অন্যদিকে ম্যাকানিকাল ইন্জিনিয়ারিং এর  ক্ষেত্রে বিভিন্ন পার্টসের সমন্ময়ে একটি যন্ত্র তৈরি করতে হয় সেজন্য কাগজে ডিজাইন অনেকটাই জটিল ।
অটোক্যাডের সাহায্যে সহজেই ডিজাইনের জটিল বিষয়গুলো পরীক্ষা করে দেখা যায় 2D ও 3D ব্যবহার করে যার, ফলে সত্যিকারের স্থাপনা তৈরির আগেই এর পরিপূর্ন ডিজাইন তৈরি করে নেওয়া যায় এবং ডিজাইনের পরিমাপও ঠিক পাওয়া যায়।  অটোক্যাড ব্যাবহার করে সহজেই ডিজাইনের ভূল বের করা যায় ।
অর্থের সাশ্রয়:
ইন্জিনিয়ারিং কাজের ক্ষেত্রে ডিজাইন সহ বিভীন্ন প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষনা খুবই  গুরুস্বপূর্ন বিষয়, বাস্তবে অনেক ব্যায়বহুল সত্যিকারের স্থাপনা বা যন্ত্রপাতির ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা । যা অটোক্যাড ব্যবহার করে নিমীষেই সমাধান করা সম্ভব ফলে সহজেই একজন ডিজাইনার তার ডিজাইনের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পরেন, এতে যেমন তার ডিজাইনের নতুনত্ব আসে তেমনি অর্থেরও সাশ্রয় হয় ।
সময়ের অপচয় কম:
বাস্তবে সত্যিকার নমুনা বা প্রটোটাইপ তৈরি করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন কিন্তু অটোক্যাড ব্যাবহার করে অতি অল্প সময়েই যে কোনো কিছুরই নমুনা ডিজাইন তৈরি করে ফেলা যায় এবং ডিজাইনটির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দিক পরিবর্তন খুব সহজেই ও দ্রুততার সাথে করে ফেলা যায়। যা ডিজাইনারদের অনেক মূল্যবান সময় বাঁচাতে সাহায্য করে।
কমিউনীকেশন ও একএীকরন :
ডিজিটাল ফরম্যাট এ ডিজাইনকৃত মডেল সংরক্ষন করে একাধিক ইন্জিনিয়ার একটি ডিজাইন এর ওপর কাজ করে ডিজাইনটিকে পরিপূর্ন করতে পারে এবং  অন্য যে কোনো ব্যক্তির কাছেও সহজেই তা পাঠাতে পারে। বিশ্বায়নের এই যুগে অটোক্যাড এর মাধ্যমে একজন ডিজাইনার সহজেই অন্য ডিজাইনারের সাথে তার ডিজাইনটির বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করতে পারে এবং বিভিন্ন ধারনার সমন্ময়ে একটি পরিপূর্ন ডিজাইন তৈরি করা অনেক সহজ হয়।
নিজেদের সুবিধার জন্যই ইন্জিনিয়ার ও ডিজাইনারদের অটোক্যাড শেখা উচিৎ। আমাদের দেশে কাজের পাশাপাশি অটোক্যাডের মাধ্যমে বহির্বিশ্বেও ইন্জিনিয়ার ও ডিজাইনারদের রয়েছে কাজের অনেক  সুযোগ।l
Designed by HelpZoon Design

Powered by Helpzoon