Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

মাইক্রোকম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিচিতি

মাইক্রোকম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিচিতি
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক্স নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। রোবটিক্সে জাতীয় এবং অন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা গুলোতে আমাদের দেশের টিম ভালো করছে। ওয়ালটন, স্যামস্যাং এর  মতো প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট পিসি তৈরির কিছু কিছু কাজ বাংলাদেশেই করছে। এছাড়া টেসিসে তৈরি হচ্ছে দোয়েল কম্পিউটার । তাই আমাদের দেশেও যে নিকট-ভবিষ্যতে কম্পিউটার তৈরি হবে তা চিন্তা করাটা কাল্পনিক হবে না। "আমরা বানাবো আমাদের কম্পিউটার" সিরিজটির মাধ্যমে আমরা কিভাবে কম্পিউটারের প্রসেসর, র‌্যাম, অন্যান্য মেমরি ডিভাইস, কন্ট্রোল এবং টাইমিং সেকশন সমূহ কিভাবে কাজ করে, কিভাবে তৈরি হয়, ইন্টার্নাল গঠন কেমন। মাইক্রোপ্রসেস প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবো।

আমরা অনেকেই চিন্তা করি আমি নিজেই যদি নিজের কম্পিউটার বানাতে পারতাম তাহলে খুব ভালো হতো। তাদেরকে বলছি আসেন এখন থেকেই হোম ওয়ার্ক শুরু করি , হয়তো এমন সুযোগ এই জীবনেই আমি বা আপনি পেয়েও যেতে পারি। এটা তো বলতেই পারি বিল গেটস যখন কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বানাতে শুরু করেছিলো বা স্টিভ জবস যখন এ্যাপেল কম্পিউটার বানাতে শুরু করেছিলো তাদের থেকে আমাদের সুযোগ সুবিধা অনেক বেশি।

শুরুতেই আমরা একটা সাধারণ মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম দেখবো

একটা সাধারণ মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম


উপরের ছবিটাতে একটা মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম দেখানো হয়েছে। যেখানে তিনটা প্রধান অংশ রয়েছে,
  • মেমরি
  • সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)
  • ইনপুট/আউটপুট পোর্ট

মেমরি

মাইক্রোকম্পিউটারের মেমরি সেকশনটি সাধারণত RAM এবং ROM এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। যদিও একটা কম্পিউটার সিস্টেমে প্রধান মেমরি হিসেবে ম্যাগনেটিক হার্ড ডিস্ক বা ফ্লাস ডিস্ক ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও মাইক্রোকম্পিউটারে পূর্বে ম্যাগনেটিক ফ্লপি ডিস্ক, ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহৃত হতো। CD বা DVD হিসেবে এখনো অপটিক্যাল ডিস্কের ব্যবহার রয়েছে।

RAM সম্পর্কে কিছু কথা
RAM হচ্ছে Random Access Memory । এটাকে আবার volatile memory ও বলা হয়।  মজার ব্যাপার হচ্ছে volatile memory এর সাথে ভুলে যাওয়ার একটা সম্পর্ক আছে। RAM এমন এক ধরণের মেমরী যা শুধুমাত্র যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে ততক্ষণ ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে। আর একবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেই সব ভুলে যায় অর্থাৎ মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায়। খুবই মারাত্নক একটা ব্যাপার , কিন্তু এই RAM ই আমাদের কম্পিউটারের জন্য একটা অপরিহার্য উপাদান। আমরা যখন কোন কাজ করি বা গেম খেলি তখন অসংখ্য ডাটা নিয়ে কাজ করতে হয়। প্রতিটা মূহর্তে মমেরি থেকে ডাটা নিয়ে আসতে হয় আবার মেমরিতে রাখতে হয়। আর অস্থায়ীভাবে এই কাজ করে RAM । আর আমরা যখন Save কমান্ড দিয়ে কোন ডাটা সংরক্ষণ করি তখন তা স্থায়ীভাবে স্থায়ী মেমরি যেমন ম্যাগনেটিক হার্ড ডিস্ক বা ফ্লাস ডিস্কে জমা হয়।

ROM সম্পর্কে কিছু কথা
ROM কে বলা হয় Read Only Memory । এই মেমরী শুধুমাত্র মেমরীতে সংরক্ষিত ডাটা রিড করতে পারে , নতুন ডাটা জমা রাখতে পারে না। আমরা যখন কম্পিউটার চালু করি তখন কালো স্ক্রিনের মধ্যে কিছু লেখা ভেসে ওঠে এই লেখাগুলো মাদারবোর্ডের ROM এ সংরক্ষিত থাকে,যেগুলোকে পরিবর্তন করা যায় না। ROM এর সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ডাটা ROM তৈরির সময় দিয়ে দেয়া হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ROM এ সংরক্ষিত ডাটার কোন পরিবর্তন হয় না। বর্তমানে এক ধরণের ROM ব্যবহৃত হয় যাকে বলা হয় EEPROM , এই EEPROM এ প্রয়োজনে নতুন ডাটা সংরক্ষণ করা যায় এবং পরিবর্তন করা যায়।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) কম্পিউটারের সকল প্রকার অপারেশন নিয়ন্ত্রন করে থাকে। মাইক্রোকম্পিউটারে মূলত সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হচ্ছে মাইক্রোপ্রসেসর। একটা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যে একটা ALU বা এরিথমেটিক লজিক ইউনিট , কিছু সংখ্যক রেজিস্টার, একটা প্রোগ্রাম কাউন্টার এবং টাইমিং এন্ড কন্ট্রোল ইউনিট থাকে। মাইক্রোপ্রসেসরকে তার কার্যাবলী সম্পাদন করার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়। এই প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী মাইক্রোপ্রসেসর মেমরি ডিভাইস, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট এর সাথে ডাটা বিনিময় করে এবং ALU ব্যবহার করে প্রসেস করে থাকে। এই ডাটা আদান প্রদানের জন্য মেমরিকে এড্রেসিং করতে হয়।

একটা মেমরিকে আমরা কবুতরের একটা ঘরের সাথে তুলনা করতে পারি। যেখানে অনেক গুলো সারি থাকে প্রতিটা সারিতে সমান সংখ্যক কুঠুরি থাকে। মেমরিতেও অনেকগুলো সারি থাকে প্রতিটা সারিতে ৮টা বা ১৬টা বা নির্দিষ্ট সংখ্যক স্থান থাকে যা 0 বা 1 সংরক্ষণ করতে পারে। এক একটা স্থানকে বলা হয় ১বিট যা 0 অথবা 1 ধারণ করতে পারে। আবার এক একটা সারিকে বলা হয় রেজিস্টার । মেমরিতে এরকম প্রত্যেকটা রেজিস্টারের নির্দিষ্ট ইউনিক এড্রেস থাকে।
যখন মাইক্রোপ্রসেসর প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী কোন মেমরীর নির্দিষ্ট রেজিস্টার থেকে ডাটা রিড করতে চায় বা ডাটা পাঠাতে চায় তার পূর্বে  ঐ মেমরীর নির্দিষ্ট রেজিস্টারকে নির্বাচন করা হয়। প্রতিটা ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রোগ্রাম কাউন্টারের মান এক এক করে বাড়তে থাকে।পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত জানা যাবে।

ইনপুট/আউটপুট পোর্ট
মাইক্রোকম্পিউটারের মাধ্যমে কার্য সম্পাদন করতে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডাটা বা কোন ফিজিক্যাল ভেরিয়েবল বা সেন্সরের মাধ্যমে কোন পরিবর্তনের তথ্য গ্রহণ করার জন্য ইনপুট পোর্ট ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে কোন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ করার পর বাস্তব জগতে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আউটপুট পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ইনপুট পোর্টে আমরা সাধারণত কিবোর্ড,মাউস,মাইক্রোফোন,ক্যামেরা এবং বিভিন্ন ধরণের সেন্সর ব্যবহার করে থাকি। আউটপুট পোর্টে সাধারণত মনিটর,স্পিকার,প্রিন্টার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

কোর্সে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু করণীয়

প্রতিটা পর্বে কোর্সে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু প্রশ্ন, প্রজেক্ট বা বিশেষ কিছু করণীয় থাকবে। এগুলো সম্পন্ন করে কোর্সে আপনার সক্রিয়তা নিশ্চিৎ করুন। এই কোর্সের সাথে সম্পৃক্ত বিচারক মন্ডলী এগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।

এখন “খুনের দায়” মাসুদ রানা সিরিজের এই বইটি পড়ুন আপনার অ্যান্ড্রয়েডে (PDF রিডারের প্রয়োজন নেই )

এখন “খুনের দায়” মাসুদ রানা সিরিজের এই বইটি পড়ুন আপনার অ্যান্ড্রয়েডে (PDF রিডারের প্রয়োজন নেই )

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম “খুনের দায়” নামক এন্ড্রয়েড বাংলা অ্যাপসটি। জনপ্রিয় সেবা প্রকাশনীর বইগুলো পড়েনি এমন লোক খুজে পাওয়া ভার ৤ মাসুদ রানা সিরিজের এই বইটি আপনার এন্ড্রয়েডে পড়ুন ঝক ঝকে বাংলা ফন্টে৤ এটা পড়ার জন্য আপনার পিডিএফ বা ডকুমেন্ট রিডার অ্যাপসের প্রয়োজন নেই, এই অ্যাপসের মাধ্যমেই পুরো বইটি পড়তে পারবেন৤









ধন্যবাদ।
অ্যাপসটি ভালো লাগলে রেটিং দিয়ে উতসাহিত করুন৤

সাইজ : ৩.৪ মেগাবাইট

রিকয়ার অ্যান্ড্রয়েড : ১.৬+ভার্সন : ১.০


ডাউনলোড লিংক

অনলাইন থেকে ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করার সাইটগুলোর লিস্ট নিয়ে নিন আসা করি কাজে লাগবে (নতুনদের জন্য)

অনলাইন থেকে ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করার সাইটগুলোর লিস্ট নিয়ে নিন আসা করি কাজে লাগবে (নতুনদের জন্য)
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিছু সাইট যে সাইটগুলো থেকে ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন আমি জানি এই সাইট গুলো নিয়ে আগে ও টিউন করা হয়েছে কিন্তু সেগুলো করা হয়েছে আলাদা আলাদা ভাবে তাই আমি আপনাদের একটু লিস্ট আকারে সাইট গুলোর নাম দিচ্ছি । আপনি পার্ট সময় দিয়ে মাসে একটা ভাল পরিমাণের ইনকাম করতে পারবেন । ভাল পরিমাণে বলতে আপনার মাসের পকেট খরচের টাকা ।আর এই সবগুলো সাইটে অনলাইনে অনেক দিন ধরে পেমেন্ট করছে তাই সাইট গুলো খুবি বিশ্বস্ত সাইট ।
1. Microworkers
Microworkers সাইটে দিনে ২-৩ ঘণ্টা সময় দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। আপনার account এ যখন ৯ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে money withdraw করতে দিবে। তবে প্রথমবার আপনার বাড়ির ঠিকানা verify করবে। এরা payza,skrill এ payment করে তাই বাংলাদেশ থেকে সহজেই এদের টাকা নিতে পারবেন।
2. Rapidworkers
Rapidworkers সাইটটি Microworkers মত । তবে এরা আপনাকে পেমেন্ট দিবে আপনার আকাউন্টে ৪ ডলার হলেই আর এর জন্য আপনাকে কোন Address Verify করতে হবে না । এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে ।
3. Jobboy
Jobboy সাইটটি Microworkers মত এখান থেকে ও ছোট ছোট কাজ করে আপনি ইনকাম করতে পারেন। আপনার আকাউন্টে যখন ১০ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে । তবে এই সাইেট একটা বড় সুবিধা হল Microworkers মত Address Verify করার কোন ঝামেলা নাই।
4.  Gosignups
gosignups এমন একটি অনলাইন ভিত্তিক সাইট এখান থেকে শুধুমাএ বিভিন্ন  সাইট এ সাইন আপ এর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন । যারা অনলাইনের তেমন কোন কাজ পারেন না তারা এই সাইট আ কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন । তবে একটা সমস্যা আছে এরা শুধুমাএ paypal payment দেয় তাই যাদের paypal account  আছে তারা শুধু payment  নিতে পারবেন ।
5. Likesplanet
ফেসবুক ব্যবহার করার পাশাপাশি Likesplanet থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনার account এ যখন ২ ডলার হবে তখন এরা আপনাকে money withdraw করতে দিবে। এরা আপনাকে payza,paypal মাধ্যমে পেমেন্ট করবে ।
6. Neobux
Neobux সাইটি ও অনলাইনে খুবি বিশ্বস্ত একটি সাইট এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন । Neobux আপনাকে payza,paypal,neteller মাধ্যমে পেমেন্ট করবে। আপনার একাউন্টে ২ ডলার হলেই আপনি withdraw করতে পারবেন।
7. Cashnhits
Cashnhits সাইটি Online এ অনেক পুরাতন একটি সাইট । এরা সেই ২০০৯ সাল থেকে পেমেন্ট করে আসছে । এই সাইট থেকে আপনি মাসে ২০ থেকে ২৫ ডলার যা বাংলাদেশী প্রায় ১৫০০ থেকে ১৮৭৫ টাকা ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজেই এর জন্য আপনার কোন বিশেষ দক্ষতা লাগবে না । আপনি শুধু অন্যদের সাইটে সাইন আপ এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । এরা আপনাকে  ১ ডলার হলেই payza অথবা paypal এ পেমেন্ট করবে ।
8. Clixsense
Clixsense সাইটি Online এ অনেক পুরাতন একটি সাইট । এরা সেই ২০০৭ সাল থেকে পেমেন্ট করে আসছে । তবে এই সাইট থেকে প্রথমে ইনকাম খুবই কম কিন্তু যদি একটা গ্রুপ হয়ে কাজ করেন তাহলে ভাল ইনকাম করতে পারবেন । এরা আপনাকে ৮ ডলার হলে পেমেন্ট করবে paypal মাধ্যমে ।
9. Paidverts
Paidverts থেকে আপনি অতি সহজেই আয় করতে পারবেন কোন টাকা খরচ না করে। সাইটটি পিটিসি এর ক্যাটাগরিতে পরলেও অন্য সব পিটিসি সাইট থেকে সম্পুর্ন আলাদা। Paidverts আছে অনেকগুলো পেমেন্ট মাধ্যম payza,paypal তো আছে ই । আপনার একাউন্টে ২ ডলার হলেই আপনি withdraw করতে পারবেন।
10. Fansalve
Fansalve থেকে  আপনি ফেসবুক লাইক , টুইটার ফলো মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । তবে এখান থেকে আপনি Euro ইনকাম করতে পারবেন  । আপনি ১৫ Euro হলেই PayPal বা Payza এর মাধ্যমে withdraw করতে পারবেন।
আশা করি অনেকগুলো ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করার মত সাইট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন । সবাইকে ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য ।

আগুন বা পেট্রোল বোমার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার (টেকফিকশান অথবা টেকহিউমার)

আগুন বা পেট্রোল বোমার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার (টেকফিকশান অথবা টেকহিউমার)
COPY FROM


প্রথমেই বলে রাখি এটা কোনো রাজনৈতিক পোস্ট নয়।
প্রযুক্তি আজ কোথায় পৌঁছেছে! সকাল বেলা ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত সব জায়গায় প্রযুক্তি। মা’র মুখে শুনেছিলাম যে তার স্যার বলেছিলেন, ‘একদিন দেখবে ভাত রান্না করতে হচ্ছে না, এমন এক যন্ত্র আসবে যা ভাত রেঁধে দেবে।’ ঐসময় শুনে হাসি পেলেও এখন কিন্তু তাই হচ্ছে। অর্থাৎ আজ যা চিন্তা করা হয় কাল তা বাস্তবে রুপ নেয়। এর সাথে সাথে প্রযুক্তির ভালো ব্যবহার আমাদের জানতে হবে।
সারাদেশ আজ এলোমেলো। টিভি খুললেই চোখে পড়বে পেট্রোল বোমার খবর আর নির্বিচারে গ্রেফতার ও হত্যার খবর। দেশের রাজনীতির আজ বেহাল দশা। একদল পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ মারছে [সূত্র], আরেকদলও আগুন লাগাচ্ছে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে। [সূত্র] আর গণগ্রেফতারের ব্যাপারটা তো আছেই, অনেক নীরিহ মানুষও গ্রেফতার হচ্ছে অর্থাৎ দেশটা অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। তবে আগুন যারাই লাগাক তারা মানুষের মধ্যে পড়ে না। এদের প্রকৃত পরিচয় এটাই যে এরা সন্ত্রাসী।
আপনারা জানেন যে সরকার এই অবরোধের মধ্যেও পুলিশি পাহারায় গাড়ি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও আগুন লাগানো থেমে নেই, মানুষের মৃত্যুও থেমে নেই। পেট্রোল বোমায় আক্রান্ত রোগীদের দিকে তাকানো যায় না। আমাদের সেই অনুভূতি থেকে রেহাই দিতে টিভি চ্যানেলে সেই অংশগুলো ঘোলাটে (Blur) করে দেখানো হয়।
একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু এইসবকিছুর ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। কারণ, একটা বাসে আগুন লাগলে তৎক্ষণাৎ ফায়ার সার্ভিসের দল আসতে পারে না। আসতে কিছুটা সময় লাগেই। আর তার মধ্যে একটা যানবাহন পুড়ে ছারখার হয়। তাই অবরোধের মধ্যে কিছু প্রস্তুতি ব্যতীত কোনোভাবেই গাড়ি চালানো উচিত নয়। তাতে কেবল ক্ষতির পরিমাণই বাড়বে। তাই আসুন দেখি কীভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এইসব ক্ষতি কমানো যায়।
  • বিষয়টা অনেকের কাছেই হাস্যকর মনে হবে। কিন্তু এটা কিছুটা হলেও ক্ষয়ক্ষতি কমাবে। বাসের ছাদে বা ট্রাকের উপরে মাঝারি সাইজের পানির ট্যাংকের ব্যবস্থা করা। প্রতিটা টার্মিনালেই মোটর দিয়ে ট্যাংক ভরানোর সুব্যবস্থা থাকবে। এটা কঠিন কিছু না। আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-য়ের ছাত্র। তাই একটু চিন্তা করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

  • গাড়ির ভিতরে পানির স্প্রে-র ব্যবস্থা করা যাতে আগুন লাগলে ইমারজেন্সি পানি দিয়ে আগুন নেভানো যায়।



  • প্রতিটা সিটের উপরে অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখা যাতে দ্রুতই আগুন নেভানো যায়।

  • প্রায় সব গাড়িতেই একটা করে মাঝারি পানির ট্যাংক ধারণ করা সম্ভব। পেছনের দুই সিট তুলে ফেললে একসাথে দুটোও অনেকক্ষেত্রে রাখা সম্ভব। আর সাথে একটা স্প্রে থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশেই কমে আসবে। আমাদের এতো কষ্ট সহ্য করতে হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে শাওয়ারও লাগানো যেতে পারে।



  • আর পেট্রোল বোমাবাজরা যে দলেরই হোক তাদের গণপিটুনি দিতে ভুলবেন না কিন্তু।
আপনারা এখনো ভাবছেন এটা একটা পাগলামি। আপাতদৃষ্টিতে তাই। কিন্তু এতে করে একটু হলেও ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে। শুধু হঠাৎ করে একটা সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, এক দল অন্য দলের সাথে প্রতিযোগিতায় নামলেই হবে না, সার্বিকভাবে চিন্তা করে তারপর একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।
উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিয়ে অবরোধের মধ্যে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ!
আমার মনে হয় এতে একটু হলেও কাজ হবে তাই টিউনটা টেকফিকশানে রাখলাম। যাদের কাছে বাতুলতা মনে হবে তারা এটাকে টেকহিউমার হিসেবে নেবেন। আর, দুইদলের কাছে অনুরোধ, দেশবাসীকে আপনাদের এই রেষারেষির রাজনীতি থেকে অব্যাহতি দিন। ধন্যবাদ সবাইকে।
বিঃদ্রঃ রাজনৈতিক মন্তব্য আনএ্যাপ্রুভ করা হবে।

খুব সহজে আয় করুন যে কেউ 3ডলার সাথে থাকছে অনেক সুবিধা……100%

খুব সহজে আয় করুন যে কেউ 3ডলার সাথে থাকছে অনেক সুবিধা……100%
বর্তমানে সবচেয়ে ভালো আয় করা একটি সাইট হলো awsurveys.com সাইট। এটা থেকে ভালো আয় করা যায়। যা আপনার কাছে খুব ভালো লাগবে, যদি তা নিজের চোখে দেখেন। এখানে সাধারণ কিছু নিয়ম দেখলেই আয় করা অতি সহজ হয়ে যাবে আপান জন্য। তবে সব কিছু এত সহজ হলে টাকা ধরতো গাছে, তাই কিনা বলেন। তাই বলবো বেশি কিছু ভাববেন না, এখান থেকে এমন কিছু আয় করবেন যা আপনি আগে ভাবেন নি, আর তা আমি আপনাদের দেখাবো, কিভাবে অতি সহযে এখান থেকে টাকা আয় করতে হয়।
বেশি কথা বলবো না। এতে কাজের 12বেশে যাবে। তাই এখন মন নিয়ে পড়ুন তা না হলে কিছুই বোঝবেন না।
প্রথমেই আপনি এই লিঙ্কে সাইন আপ করুন
এর পর উপরের Registration ক্লিক করুন
এখানে সব কিছু সঠিক ভাবে দিয়ে Open Account এ ক্লিক করুন
এখন আপনার একাউন্ট তৈরী হয়েগেছে।
এবার ভিসিট করুন ……
ভালো কথা এখানের ১০০০ডলার হ্যাক করা যায়………youtube দেখুন
Designed by HelpZoon Design

Powered by Helpzoon