Showing posts with label কম্পিউটিং. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটিং. Show all posts

মাইক্রোকম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিচিতি

মাইক্রোকম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিচিতি
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক্স নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। রোবটিক্সে জাতীয় এবং অন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা গুলোতে আমাদের দেশের টিম ভালো করছে। ওয়ালটন, স্যামস্যাং এর  মতো প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট পিসি তৈরির কিছু কিছু কাজ বাংলাদেশেই করছে। এছাড়া টেসিসে তৈরি হচ্ছে দোয়েল কম্পিউটার । তাই আমাদের দেশেও যে নিকট-ভবিষ্যতে কম্পিউটার তৈরি হবে তা চিন্তা করাটা কাল্পনিক হবে না। "আমরা বানাবো আমাদের কম্পিউটার" সিরিজটির মাধ্যমে আমরা কিভাবে কম্পিউটারের প্রসেসর, র‌্যাম, অন্যান্য মেমরি ডিভাইস, কন্ট্রোল এবং টাইমিং সেকশন সমূহ কিভাবে কাজ করে, কিভাবে তৈরি হয়, ইন্টার্নাল গঠন কেমন। মাইক্রোপ্রসেস প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবো।

আমরা অনেকেই চিন্তা করি আমি নিজেই যদি নিজের কম্পিউটার বানাতে পারতাম তাহলে খুব ভালো হতো। তাদেরকে বলছি আসেন এখন থেকেই হোম ওয়ার্ক শুরু করি , হয়তো এমন সুযোগ এই জীবনেই আমি বা আপনি পেয়েও যেতে পারি। এটা তো বলতেই পারি বিল গেটস যখন কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বানাতে শুরু করেছিলো বা স্টিভ জবস যখন এ্যাপেল কম্পিউটার বানাতে শুরু করেছিলো তাদের থেকে আমাদের সুযোগ সুবিধা অনেক বেশি।

শুরুতেই আমরা একটা সাধারণ মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম দেখবো

একটা সাধারণ মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম


উপরের ছবিটাতে একটা মাইক্রোকম্পিউটারের ব্লক ডায়াগ্রাম দেখানো হয়েছে। যেখানে তিনটা প্রধান অংশ রয়েছে,
  • মেমরি
  • সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)
  • ইনপুট/আউটপুট পোর্ট

মেমরি

মাইক্রোকম্পিউটারের মেমরি সেকশনটি সাধারণত RAM এবং ROM এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। যদিও একটা কম্পিউটার সিস্টেমে প্রধান মেমরি হিসেবে ম্যাগনেটিক হার্ড ডিস্ক বা ফ্লাস ডিস্ক ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও মাইক্রোকম্পিউটারে পূর্বে ম্যাগনেটিক ফ্লপি ডিস্ক, ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহৃত হতো। CD বা DVD হিসেবে এখনো অপটিক্যাল ডিস্কের ব্যবহার রয়েছে।

RAM সম্পর্কে কিছু কথা
RAM হচ্ছে Random Access Memory । এটাকে আবার volatile memory ও বলা হয়।  মজার ব্যাপার হচ্ছে volatile memory এর সাথে ভুলে যাওয়ার একটা সম্পর্ক আছে। RAM এমন এক ধরণের মেমরী যা শুধুমাত্র যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে ততক্ষণ ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে। আর একবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেই সব ভুলে যায় অর্থাৎ মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায়। খুবই মারাত্নক একটা ব্যাপার , কিন্তু এই RAM ই আমাদের কম্পিউটারের জন্য একটা অপরিহার্য উপাদান। আমরা যখন কোন কাজ করি বা গেম খেলি তখন অসংখ্য ডাটা নিয়ে কাজ করতে হয়। প্রতিটা মূহর্তে মমেরি থেকে ডাটা নিয়ে আসতে হয় আবার মেমরিতে রাখতে হয়। আর অস্থায়ীভাবে এই কাজ করে RAM । আর আমরা যখন Save কমান্ড দিয়ে কোন ডাটা সংরক্ষণ করি তখন তা স্থায়ীভাবে স্থায়ী মেমরি যেমন ম্যাগনেটিক হার্ড ডিস্ক বা ফ্লাস ডিস্কে জমা হয়।

ROM সম্পর্কে কিছু কথা
ROM কে বলা হয় Read Only Memory । এই মেমরী শুধুমাত্র মেমরীতে সংরক্ষিত ডাটা রিড করতে পারে , নতুন ডাটা জমা রাখতে পারে না। আমরা যখন কম্পিউটার চালু করি তখন কালো স্ক্রিনের মধ্যে কিছু লেখা ভেসে ওঠে এই লেখাগুলো মাদারবোর্ডের ROM এ সংরক্ষিত থাকে,যেগুলোকে পরিবর্তন করা যায় না। ROM এর সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ডাটা ROM তৈরির সময় দিয়ে দেয়া হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ROM এ সংরক্ষিত ডাটার কোন পরিবর্তন হয় না। বর্তমানে এক ধরণের ROM ব্যবহৃত হয় যাকে বলা হয় EEPROM , এই EEPROM এ প্রয়োজনে নতুন ডাটা সংরক্ষণ করা যায় এবং পরিবর্তন করা যায়।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) কম্পিউটারের সকল প্রকার অপারেশন নিয়ন্ত্রন করে থাকে। মাইক্রোকম্পিউটারে মূলত সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হচ্ছে মাইক্রোপ্রসেসর। একটা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যে একটা ALU বা এরিথমেটিক লজিক ইউনিট , কিছু সংখ্যক রেজিস্টার, একটা প্রোগ্রাম কাউন্টার এবং টাইমিং এন্ড কন্ট্রোল ইউনিট থাকে। মাইক্রোপ্রসেসরকে তার কার্যাবলী সম্পাদন করার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়। এই প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী মাইক্রোপ্রসেসর মেমরি ডিভাইস, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট এর সাথে ডাটা বিনিময় করে এবং ALU ব্যবহার করে প্রসেস করে থাকে। এই ডাটা আদান প্রদানের জন্য মেমরিকে এড্রেসিং করতে হয়।

একটা মেমরিকে আমরা কবুতরের একটা ঘরের সাথে তুলনা করতে পারি। যেখানে অনেক গুলো সারি থাকে প্রতিটা সারিতে সমান সংখ্যক কুঠুরি থাকে। মেমরিতেও অনেকগুলো সারি থাকে প্রতিটা সারিতে ৮টা বা ১৬টা বা নির্দিষ্ট সংখ্যক স্থান থাকে যা 0 বা 1 সংরক্ষণ করতে পারে। এক একটা স্থানকে বলা হয় ১বিট যা 0 অথবা 1 ধারণ করতে পারে। আবার এক একটা সারিকে বলা হয় রেজিস্টার । মেমরিতে এরকম প্রত্যেকটা রেজিস্টারের নির্দিষ্ট ইউনিক এড্রেস থাকে।
যখন মাইক্রোপ্রসেসর প্রোগ্রামের ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী কোন মেমরীর নির্দিষ্ট রেজিস্টার থেকে ডাটা রিড করতে চায় বা ডাটা পাঠাতে চায় তার পূর্বে  ঐ মেমরীর নির্দিষ্ট রেজিস্টারকে নির্বাচন করা হয়। প্রতিটা ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রোগ্রাম কাউন্টারের মান এক এক করে বাড়তে থাকে।পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত জানা যাবে।

ইনপুট/আউটপুট পোর্ট
মাইক্রোকম্পিউটারের মাধ্যমে কার্য সম্পাদন করতে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডাটা বা কোন ফিজিক্যাল ভেরিয়েবল বা সেন্সরের মাধ্যমে কোন পরিবর্তনের তথ্য গ্রহণ করার জন্য ইনপুট পোর্ট ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে কোন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ করার পর বাস্তব জগতে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আউটপুট পোর্ট ব্যবহার করা হয়। ইনপুট পোর্টে আমরা সাধারণত কিবোর্ড,মাউস,মাইক্রোফোন,ক্যামেরা এবং বিভিন্ন ধরণের সেন্সর ব্যবহার করে থাকি। আউটপুট পোর্টে সাধারণত মনিটর,স্পিকার,প্রিন্টার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

কোর্সে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু করণীয়

প্রতিটা পর্বে কোর্সে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছু প্রশ্ন, প্রজেক্ট বা বিশেষ কিছু করণীয় থাকবে। এগুলো সম্পন্ন করে কোর্সে আপনার সক্রিয়তা নিশ্চিৎ করুন। এই কোর্সের সাথে সম্পৃক্ত বিচারক মন্ডলী এগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।

গুগলে চাকরি পাচ্ছেন ৭জন বাংলাদেশি তরুণ...........

গুগলে চাকরি পাচ্ছেন ৭জন বাংলাদেশি তরুণ...........
গুগলে কর্মরত প্রথম বাংলাদেশী শিশির খান এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গুগলে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি গুগলের টিপিএম ও রিলিজ ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর আরও অনেকেই যোগ দিয়েছেন গুগলে। এই তালিকায় আরও যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের ৭ তরুণের নাম। এরই মধ্যে ৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ৭ জন তরুণ আগামী ৫ অক্টোবরে গুগলে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেবেন। গুগলের রিকুটিং স্পেশালিষ্ট বিজয়া কুমার কেএস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইতোমধ্যেই গুগলে নিয়োগ পাওয়া ৩ জন বাংলাদেশি হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিইসি বিভাগের সাদিয়া নাহরিন ও সাকিব সাফায়েত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিন্দ মজুমদার। এদিকে বুধবার বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের (বিআইটিএম) উদ্যোগে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বেসিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত টেক আড্ডায় যোগ দিলেন বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে কর্মরত প্রথম বাংলাদেশী শিশির খান। আড্ডায় এক দশক ধরে গুগলে চাকরির অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন তিনি।
জানালেন, প্রোগ্রামিং ভাষাটা ভালোভাবে দখলে আনতে পাড়লে এখানে কাজ পাওয়া কঠিন কিছু নয়। তুলে ধরেন তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অভিজ্ঞতার কথা। বিআইটিএমের উপদেষ্টা ও বেসিসের সাবেক সভাপতি একেএম ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় আড্ডায় অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে শতাধিক পেশাজীবী ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। এছাড়া কিভাবে বাজারের চাহিদানুযায়ী সফটওয়্যার ডেভেলপ করা যায় এবং টেকনোলজি ইকো-সিস্টেম পরিবর্তন করা যায়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়। উদ্ভাবনকে কেন এত গুরুত্ব দেয় গুগল? এমন প্রশ্নের জবাবে শিশির বলেন, সার্চ নিয়ে পড়ে থাকলে কবেই পথে বসে যেত প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু এটি উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দেয়ায় অবলীলায় অন্যদের ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশি তরুণ
উদ্ভাবন নিয়ে গুগলের আগ্রহটা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি পল নামের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে জিমেইলের পোর্টফোলিও পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই তাতে বড় অংকের ডলার বিনিয়োগ করে। এমনকি তাকে (পল) ফাউন্ডার অ্যাওয়ার্ড হিসেবে বড় অংকের সম্মানী দেয়া হয়। শিশির আরও বলেন, গুগল মূলত পাগলামিতে বিশ্বাস করে। এই পাগলামির অংশ হিসেবেই বাজারে আসছে গুগল কার।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৩০ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। তাই প্রযুক্তি জায়ান্ট এই প্রতিষ্ঠান চিন্তা করল, যদি ড্রাইভারহীন গাড়ি আনা যায়, তবে দুর্ঘটনার হার কমে যাবে। ব্যস, এই প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গেল! সার্চ ইঞ্জিন ব্যবসায় বিংকে গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন শিশির। তার মতে, এটি অনেক টাকার কো¤পানি। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে তারাও বিনিয়োগ করতে পিছপা হয় না।
এক আইটি পেশাজীবী প্রশ্ন করেন, কিভাবে গুগলের নজরে আসা যায়? জবাবে শিশির বলেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ শিখেই নিজেকে প্রতিভাবান ভাবতে শুরু করি। কিন্তু এটা কোনো কাজের ভাবনা নয়। তারাই নজরে আসে যারা গ্রামার নিয়ে খেলতে পারে। তবে গুগলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এলে এখন থেকে তা বেসিসের মাধ্যমে সবাইকে জানাবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি। গুগলে ইন্টার্নি করতে হলে কি করতে হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রথমত ছাত্র হতে হবে। কোডিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং উদ্ভাবনে অভিজ্ঞতা থাকলেও ইন্টার্নি করার সুযোগ থাকে। ইন্টার্নি নেয়া হবে কিনা তা জানতে গুগলের জব ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখতে হবে বলেও জানান তিনি।

সম্পূর্ণ নতুন কনফিগ দিয়ে PC তে জিপি দিয়ে ৩জি স্পিড এ ফ্রী নেট চালানোর ২ টা পদ্ধতি এবং https সাইট ব্রাউস হবে কোন সমস্যা ছারাই । এই টিউন মিস কইরেন না ।

সম্পূর্ণ নতুন কনফিগ দিয়ে PC তে জিপি দিয়ে ৩জি স্পিড এ  ফ্রী নেট চালানোর ২ টা পদ্ধতি এবং https সাইট ব্রাউস হবে কোন সমস্যা ছারাই । এই টিউন মিস কইরেন না ।

প্রথম এ মডেম এ gpwap দিয়া নেট কানেক্ট দিন।
এবার আপনার যেটা ভাল লাগে সেই ফাইল টা ডাউনলোড করুন।
1.Xt181PP Click Here
2.Simple Server Click Here
আপনারা এগুলা ব্যবহার করতে পারেন তাই আর বিস্তারিত লিখলাম না।
আপনি যদি xT181Pp ব্যবহার করেন তা হলে https সাইট এও ঢুকতে পারবেন।
ভালো লাগলে  ১ মিনিট খরচ করে একটা কমেন্ট করবেন। কেও কমেন্ট না করলে  খুব ই কস্ট পাই ।

Designed by HelpZoon Design

Powered by Helpzoon